Posts

Showing posts from February, 2019

কৃতজ্ঞতা

Image
স্কুলের জন্য [১] একটা সেলাই মেশিনের বড় প্রয়োজন ছিল। একটা সেলাই মেশিন  থাকলে এই স্কুলের মহিলারা সেলাই শিখতে পারতেন। সেলাইটা একবার শিখতে পারলে এঁরা সেলাই করে খুব সহজেই জীবিকা নির্বাহ করতে পারতেন। সেলাই মেশিন- এই সমস্যারও সমাধান হয়।  সাজ্জাদ হোসেন সহৃদয়তার হাত বাড়িয়ে দেন। স্কুলের জন্য বিনে পয়সায় একটা সেলাই মেশিন যোগাড় করে দেন। কৃতজ্ঞতা। 
১. বয়স্ক স্কুল:

একটা নিরাপদ ছাদ।

Image
আমরা খুব অস্থির হয়ে আছি যে-কোনও প্রকারে একটা হোম-আশ্রয়স্থল করার জন্য। কিন্তু মেঘে-মেঘে বেলা বয়ে যায়, সময় গড়ায় কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। অস্থিরতা বাড়ে। কেন? এর ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য এই ঘটনাটাই যথেষ্ট। এদের জন্য একটা আশ্রয়ের প্রয়োজন, বড় প্রয়োজন।
এই ফুটফুটে শিশুটি সদ্যই ভুমিষ্ট হয়েছে আখাউড়া স্টেশনে, উম্মুক্ত আকাশের নীচে। কোথায় ডাক্তার কোথায় নার্স নিদেনপক্ষে গ্রাম্য ধাই। এর বাপ এদেরকে ফেলে উধাও হয়ে গেছে। 'এদের' মানে এর আরও ৩ ভাই-বোন। সব মিলিয়ে ৪ জন!
আপাতত এটাই এদের ক্ষণস্থায়ী বাড়ি-ঘর। স্টেশনের ওভারব্রিজের নীচে। কেউ হয়তো এই ছবির ভুল ধরবেন কারণ এই মা-টার ৪ সন্তান থাকার কথা। ছবিতে একজন নেই। গা শিউরে উঠার মত সত্যটা হচ্ছে বড় সন্তানটাকে অন্য একজনকে দিয়ে দিয়েছেন। 'এ কেমন নিষ্ঠুর মা' যারা এই প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইবেন তারা যদি এই সন্তানটা ভূমিষ্ঠ হওয়ার সময়কার এই মাটার জান্তব চিৎকার শুনে থাকেন তাহলে তারা আর এই প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইবেন না।
যাই হোক, প্রসব পরবর্তী চিকিৎসার জন্য সহযোগীতা করেছেন ডা. শাহনেওয়াজ হাসান (সজীব) । কৃতজ্ঞতা।

...

আজ দেখা গেল বাচ্চাদের মাঝে আরেকজন নেই!
জিজ্ঞেস করার প…

সবাইকে ছাড়িয়ে, সবার চেয়ে এগিয়ে...।

Image
আগের লেখায় আমরা বলেছিলাম [১], এই স্কুলে সবচেয়ে বেশি যিনি উপস্থিত থাকবেন তাঁকে সম্মানিত করা হবে। এই স্কুলের সবাইকে ছাড়িয়ে যিনি নির্বাচিত হয়েছেন সেই ফাতেমা বেগম... চট করে দেখলে এই ছবিটায় একটা অসঙ্গতি আছে বলেই মনে হবে। কিন্তু খানিকটা ভাল করে দেখলে বোঝা যাবে ফাতেমা বেগমের  দু পা নেই!


১. বয়স্ক শিক্ষা: https://nedobd.blogspot.com/2019/02/blog-post.html

*ফটো ক্রেডিট: ইকবাল হোসেন, ম্যানেজার, নিডো।

বয়স্ক শিক্ষা

Image
নিডো পূর্বেও বয়স্কদের জন্য স্কুল পরিচালনা করেছে। এই কার্যক্রমটা আবারও শুরু করা হয়েছে। এক মাস ছাড়িয়ে গেল।

এদের শিক্ষক সুবর্ণাআজিজ বিচিত্র এক সমস্যা সামনে নিয়ে এলেন। স্কুলে মার সঙ্গে 'কাচ্চাবাচ্চাও' চলে আসে। আহা, মা কোথায় রেখে আসবেন বাচ্চাদের! থাকুক না এরাও- এই ফাঁকতালে দু-চার বর্ণ বাচ্চারাও শিখলে সমস্যা তো নেই কোনও। বরং এক ঢিলে দুই পাখি...!

আমরা মাসের শুরুতেই বলে দিয়েছিলাম, স্কুলে সবচেয়ে বেশি যার হাজিরা থাকবে তাঁকে স্কুলের পক্ষ থেকে পুরস্কারের নামে সম্মানিত করা হবে। স্কুলে ফাতেমা বেগম নামে একজনের উপস্থিতি সবার চেয়ে বেশি। লেমনেটিং করা মিনি পোস্টার টাইপের একটা গ্রুপ ছবি ছাপানো হয়েছে। যেখানে লেখা একজন শিক্ষিত মা, ফাতেমা বেগম। স্কুলে সবার সামনে শিক্ষক এটা তুলে দেবেন ফাতেমা বেগমের হাতে...


* ফটো ক্রেডিট: ইকবাল হোসেন, ম্যানেজার, নিডো।